সংবিধান
নবজাগরণ আদর্শ যুব সংঘ,চরশাহী।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
ধারা ২ : এই ক্লাবের শ্লোগান ”যুগ জমানা বদলে দিতে চায়না অনেকজন , একজনও আনতে পারে জাতির জাগরণ ”
ধারা ৩ : মোনগ্রাম
ধারা ৪ : লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :- সামাজিক মূল্যবোধ ও নীতি নৈতিকতার আলোকে একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোকিত সমাজ গঠন ।
ধারা ৫ : কার্যাবলি :- ক) দরিদ্র ও মেধাবীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ খ) শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত মূল্যবোধ ও চারিত্রিক নির্মলতা সৃষ্টির প্রয়াস গ) শৃঙ্খলাবোধ,নিয়ম ও সময়ানুবর্তীতা এবং কর্তব্যবোধে উজ্জিবিত করণ ঘ) মেধাবীদের সংবর্ধনা প্রদাণ ঙ) মেধা যাচাইয়ের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতা চ) ল্যান্ডিং লাইব্রেরী/পাঠাগার প্রতিষ্ঠা ছ) খৎনা ক্যম্প,চক্ষু শিবির ও চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা জ) অসহায় গরীব মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ঝ) বøাড গ্রæপিং ঞ) বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন ট) সেচ্চায় রাস্তা সংস্কার ঠ) সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা ড) শিক্ষাসফর ঢ) মানষিক বিকাশের লক্ষ্যে খেলাধূলার আয়োজন করা ণ) নৈতিক অবক্ষয় দূরীকরণের লক্ষ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি ত) যে কোন দূর্যোগ,দূর্ঘটনা ও সমস্যায় সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রয়াস।
ধারা ৬ : সদস্য :- এই ক্লাবে ৬ ধরনের সদস্য থাকবে ।
ক) প্রাথমিক সদস্য : সমাজসেবায় আগ্রহী যে কোন শিক্ষার্থী এর সদস্য হওয়ার যোগ্যতা রাখেন । প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাব কর্তৃক ঘোষিত আবেদন পত্রের মাধ্যমে সমাজসেবায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা সদস্যপদের জন্য আবেদন করবে এবং কার্যকরি পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে ক্লাবের প্রাথমিক সদস্য হবেন ।
খ) সাধারণ সদস্য : প্রথমিক সদস্যরা ৬ মাস পর্যবেক্ষনের পর কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক সাধারণ সদস্য হিসেবে মনেনেীত হবে । সদস্যগণ প্রতিবছর ৫০ ( পঞ্চাশ ) টাকা ফি দিয়ে সদস্য পদ নবায়ন করবেন ।
গ) বিশেষ সদস্য : কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক সবচেয়ে ভালো এবং ক্লাবের কাজে সক্রিয় সাধারণ সদস্যদের থেকে প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিশেষ সদস্য মনোনয়ন করবে এবং এই সংখ্যা কার্যকরি পরিষদের বিদায়ী সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে । বিশেষ সদস্যগণ বছরে ২ বার ৫০ ( পঞ্চাশ ) টাকা ফি দিয়ে সদস্য পদ নবায়ন করবেন ।
ঘ) কার্যনির্বাহী সদস্য : কার্যকরি পরিষদের সকল সদস্য কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন । এর সদস্য সংখ্যা হবে ২৬ জন । সভাপতি থেকে নির্বাহী সদস্য সকলেই এর আওতাভুক্ত থাকবে । সাধারণ সদস্য হিসেবে কমপক্ষে একবছর এবং বিশেষ সদস্য হিসেবে ৬ মাস কাজ করতে হবে । প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে বিশেষ সদস্যদের মধ্য থেকে গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কার্যকরি পরিষদ গঠিত হবে । কার্যনির্বাহী সদস্যরা মাসিক নির্ধারিত হারে নিয়মিত অনুদান দিবেন । কার্যনির্বাহী সদস্যদের মেয়াদ ২ বছর । মাসিক ৩০ ( ত্রিশ ) টাকা হারে কার্য মেয়াদকালীন সময়ে চাঁদা প্রদাণ করবেন ।
ঙ) সম্মানিত সদস্য : সংগঠনে বিশেষভাবে সেবা প্রদাণ অথবা সংগঠনের সুনাম বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছেন অথবা সংগঠনে সংশ্লিষ্ট নন কিন্তু সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রেখেছেন এমন যে কোন ব্যক্তিকে কার্যকরি পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি সাপেক্ষে সম্মানিত সদস্য পদ প্রদাণ করতে পারবেন । সমাজ , রাষ্ট্র ও গঠণতন্ত্র বিরোধী কোন কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ থাকলে তার বা তাদের সদস্য পদ বাতিল হবে । সম্মানিত সদস্যগণ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আমন্ত্রনে কার্যকরি পরিষদের সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন ।
চ) আজীবন সদস্য : প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও উপদেষ্টা পরিষদের বাছাইকৃত সদস্যরা এই ক্লাবের আজীবন সদস্য পদ লাভ করবেন । সমাজ , রাষ্ট্র ও গঠণতন্ত্র বিরোধী কোন কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ থাকলে তার বা তাদের সদস্য পদ বাতিল হবে ।
ধারা ৭ : সদস্য পদ লাভের অযোগ্যতা বা বিলুপ্তি
ক) কোন ব্যক্তি সংগঠনের গঠনতন্ত্র বিরোধী কোনো কার্যকলাপে লিপ্ত থাকলে তিনি এ সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন না বা তার সদস্য পদ থাকলে তা বাতিল হবে ।
খ) সমাজ , রাষ্ট্র ও গঠণতন্ত্র বিরোধী কোন কার্যক্রমের সাথে জড়িত সদস্যকে সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক যৌথ সাক্ষরে বা সভাপতির একক সাক্ষরে তার কৃত কর্মের জন্য কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না এ মর্মে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোঠিশ প্রদাণ করবেন । পরবর্তী কার্যকরি পরিষদের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে । তবে সদস্য পদের বিলুিপ্ত কার্যকরি পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠের সম্মতিতে কার্যকর হবে ।
গ) উপরোক্ত ধারা সমূহ সাধারণ সদস্য ও কার্যনির্বাহী সকল সদর্সদের বেলায় প্রযোজ্য হবে ।
ধারা ৮ : কার্যকরি পরিষদের কাঠামো
ক) সভাপতি - ১ জন খ) সহ সভাপতি - ২ জন গ) সাধারণ সম্পাদক - ১ জন ঘ) সহ সাধারণ সম্পাদক - ২ জন ঙ) সাংগঠনিক সম্পাদক Ñ ১ জন চ) অর্থ সম্পাদক - ১ জন ছ) সহ অর্থ সম্পাদক - ১ জন জ) প্রচার সম্পাদক - ১ জন ঝ) দপ্তর সম্পাদক - ১ জন ঞ) সহ দপ্তর সম্পাদক - ১ জন ট) তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক - ১ জন ঠ) সাংস্কৃতিক সম্পাদক - ১ জন ড) ক্রীড়া সম্পাদক - ১ জন ঢ) সমাজসেবা সম্পাদক - ১ জন ণ) কার্যকরি সদস্য - ১০ জন
উপধারা :- সংগঠনের কোন বছরে সদ্য অব্যহতি গ্রহণকারী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সম্মতিতে পরবর্তী বছরের জন্য ক্লাবের সম্মানিত কার্যকরি সদস্য থাকবেন । যদি তারা নতুন কার্যকরি পরিষদের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত না হন ।
ধারা ৯ : স্থায়ী কমিটি :- এই ক্লাবে একটি স্থায়ী কমিটি থাকবে । প্রধান পৃষ্টপোষক জনাব মিজানুর রহমান স্থায়ী কমিটির সভাপতি হবেন । প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হতে অনূর্ধ ৫ জন , আজীবন সদস্য ও উপদেষ্ঠা পরিষদ থেকে বাছাইকৃতদের নিয়ে স্থায়ী কমিটি গঠিত হবে । ক্লাবের যে কোন সমস্যায় স্থায়ী কমিটি হস্তক্ষেপ করতে পারবে । এই সংবিধান সংরক্ষণের দায়িত্ব স্থায়ী কমিটির উপর ন্যাস্ত থাকবে ।
ধারা ১০ : নির্বাচন
ক) নির্বাচন কমিশন গঠন : কমিটির মেয়াদ পূর্তির ৭ দিন পূর্বে স্থায়ী কমিটি অনূর্ধ ৩ জনকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবেন।
খ) নির্বাচন প্রক্রিয়া : (১) যোগ্যতা - সাধারন সদস্য হিসেবে একবছর এবং বিশেষ সদস্য হিসেবে ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর কোন সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবে। (২) ভোটার - বর্তমান কার্যকরি পরিষদের সকল সদস্য এবং বিশেষ সদস্যগণ ভোটার হবেন।
গ) নির্বাচন পদ্ধতি : (১)নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সদস্য ফরম পূরণ করে নির্বাচনের তিন দিন পূর্বে কমিশনে জমা দিতে হবে। (২) নির্বাচন গোপন ব্যালট পেপারে হবে। ব্যালট পেপারের সারিতে পদ এবং কলামে নির্বাচনে অংশগ্রহনকারীদের নাম থাকবে।ভোটারগণ যাকে যে পদে দেখতে চান সে ঘরে টিক দিবেন। (৩) কোন পদে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত ব্যাক্তি ঐ পদের জন্য নির্বাচিত হবেন। (৪) কোন পদে দুই বা ততধিক ব্যক্তির ভোট সমান হলে তাদের সাথে আলোচনা করে কমিশন ঐ দিনই পুন:নির্বাচন সম্পন্ন করবেন। একইভাবে কোন পদ খালি থাকলে উক্ত পদে পুন:নির্বাচন হবে।
ধারা ১১ : কার্যকরি পরিষদের দায়িত্ব,কার্যাবলী,মেয়াদ
ক) কার্যকরি পরিষদের মেয়াদ হবে ২ বছর। কার্যকরি পরিষদের দায়িত্বভার গ্রহণের দিন থেকে ২ বছর পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত কার্যকরি পরিষদের মেয়াদ থাকবে। মেয়াদোত্তীর্ণের ৭ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন কার্যকরি পরিষদ গঠিত হবে।
খ) গঠণতন্ত্রের ব্যাখ্যা কার্যকরি পারষদ প্রদান করবেন। প্রয়োজনে সংবিধান প্রনয়নকারী ও সংশোধন কারীদের থেকে ব্যাখ্যা নিবেন। সংবিধান অনুযায়ী ক্লাব পরিচালনা করবেন।
গ) সংগঠনের যেসব কার্যক্রম পরিষদ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপর ন্যাস্ত নয় সেগুলো কার্যকরী পরিষদ প্রয়োজনে পৃথক উপ পরিষদ গঠন করতে পারে।
ঘ) কার্যকরি পরিষদ উপ পরিষদের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন। তবে মূল কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার সাথে সাথে উপ-পরিষদ বাতিল বলে গণ্য হবে।
ধারা ১২ : কার্যকরি পরিষদের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কার্যাবলি
ক) সভাপতি :- সভাপতি কার্যকরি পরিষদের ও এর সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তিনি পরিষদের সমুদয় কার্য পরিচালনা করবেন। সভাপতি সাধারন সভা,বার্ষিক সাধারন সভা,মাসিক সাধারন সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সভাপতি সাধারন সম্পাদককে যে কোন সভা আহবানের পরামর্শ দিতে পারেন এবং প্রয়োজনে নিজেই কোন সভঅ আহবান করতে পারবেন। সভাপতি সাধারনত সংগঠনের সংবিধান মোতাবেক সংগঠনের কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করবেন। সুষ্ঠুভাবে সকল কার্য পরিচালনা করবেন। বাজেট অনুমোদন করবেন,সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে সচেষ্ট থাকবেন।
খ) সহ-সভাপতি :- সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভাপতির অনুমতি সাপেক্ষে তিনি কার্যকরি পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভাপতির অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন,কোনভাবে যোগাযোগে অপারগ হলে জেষ্ঠতার ভিত্তিতে একজন সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
গ) সাধারণ সম্পাদক :- সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে সাধারন সম্পাদক কার্যকরি পরিষদের সভা আহবান করবেন। তিনি সভার সকল সিদ্ধান্ত কার্যকর এবং বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকবেন। এছাড়া সংগঠনের সমুদয় কার্য পরিচালনা এবং তত্ত¡াবধান করবেন,বিশেষ প্রয়োজনে তিনি জরুরী সভা আহবান করতে পারবেন।
ঘ)সহ-সাধারন সম্পাদক :- সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতে তিনি সাধারন সম্পাদকের সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সাংগঠনিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য তিনি সাধারন সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ঙ) সাংগঠনিক সম্পাদক :- সাংগঠনিক অন্যান্য সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদান ও নতুন কর্মসূচি গ্রহনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। এছাড়া সংগঠন কতৃক আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য সাধারন সম্পাদক ও সহ-সাধারন সম্পাদককে সহায়তা করবেন।
চ) অর্থ সম্পাদক :- সংগঠনের আয়-ব্যায় সংক্রান্ত দায়-দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সদস্যদের কাছ থেকে অনুদান আদায় সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ তিনি করবেন। সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে বাজেট প্রনয়ন করবেন।
ছ) সহ-অর্থ সম্পাদক :- অর্থ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন এবং তার অনুপস্থিতিতে অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।
জ) প্রচার সম্পাদক :- সংগঠনের যাবতীয় প্রচার ও প্রকাশনার দায়িত্বে থাকবেন। সংগঠনের বিভিন্ন খবর সংবাদপত্রে ছাপানো,সংগ্রহ ও সাধারন সদস্যদের জানানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
ঝ) দপ্তর সম্পাদক :- সংগঠনের সভার কার্যবিবরনী লিপিবদ্ধ করণসহ যে কোন ধরনের দাপ্তরিক দলিলপত্র সংরক্ষণ করবেন। তিনি সংগঠনের কার্যালয়ের সার্বিক রক্ষনাবেক্ষণ ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং নিরাপদ রাখার দায়িত্ব পালন করবেন।
ঞ) সহ-দপ্তর সম্পাদক :- দপ্তর সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন এবং তার অনুপস্থিতিতে দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।
ট) তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক :- বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংগঠনের কোন সংবাদ বা প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এবং সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এরকম সমাজসেবা বিষয়ক কোন সংবাদ বা প্রতিবেদন পত্রিকায় বা সাময়িকীতে প্রকাশিত হলে তা সংরক্ষনের দায়িত্বে থাকবেন।
ঠ) সাংস্কৃতিক সম্পাদক :- সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ সাধনের লক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত মূল্যবোধ ও চারিত্রিক নির্মলতা সৃষ্টি করার প্রয়াস চালাবেন। নবজাগরণ সাংস্কৃতিক সংসদের প্রচার প্রসারে পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
ড) ক্রীড়া সম্পাদক :- মানষিক বিকাশের লক্ষ্যে নিয়মিত খেলাধুলার ব্যবস্থা করা।
ঢ) সমাজসেবা সম্পাদক :- ক্লাবের সমাজসেবামূলক কর্মসূচির আলোকে যাবতীয় সমাজসেবামূলক কাজের উদ্যোগ গ্রহন করবেন।
ধারা ১৩ : কার্যকরি পরিষদের বাইরে অন্যান্য পদ
ক) প্রধান উপদেষ্টা - এই ক্লাবে একজন প্রধান উপদেষ্টা থাকবে। প্রধান উপদেষ্টা মনোনয়নের দায়িত্ব স্থায়ী কমিটির উপর ন্যাস্ত থাকবে।
খ) প্রধান পৃষ্টপোষক - এই ক্লাবের প্রধান পৃষ্টপোষক হবেন ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সভাপতি।
গ) উপদেষ্টা পরিষদ :- প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে। তবে স্থায়ী কমিটি চাইলে উপদেষ্টা পরিষদের সংখ্যা কমবেশি করতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করবেন এবং মূল্যবান মতামত প্রদান করবেন।
ধারা ১৪ : আয়ের ঊৎস :- ক্লাব সদস্যদের চাঁদা,উপদেষ্টা পরিষদের এককালীন সাহায্য এবং ভি.আই.পি দের দান এই ক্লাবের আয়ের উৎস।
ধারা ১৫ : ব্যায়ের খাত :- ক্লাবের আয়ের উৎস থেকে প্রাপ্ত টাকা ক্লাব ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যায় করা হবে।
ধারা ১৬ : সভা-সমাবেশ :- ক্লাবের সার্বিক বিষয় নিয়ে মাসে একবার কার্যকরি পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সকল সদস্যদের নিয়ে ৩ মাস অন্তর সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজন মনে করলে কার্যকরি পরিষদের সভাপতি বছরের যে কোন সময় প্রোগ্রম আহবান করতে পারবেন।
ধারা ১৭ : অর্জনীয় গুণাবলি :- ক্লাব সদস্যদেরকে যেসব গুণাবলি অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে তা হল,কথা কাজে মিল থাকা,কল্যাণ কামনা,আত্মত্যাগ,সুবিচার,সদাচরণ,অনুগ্রহ,মার্জনা,দু:খ কষ্টে অংশীদার হওয়া,রুগ্ন ভাইয়ের পরিচর্যা করা,অধিকারে হস্তক্ষেপ না করা,দোষ খুঁজে না বেড়ানো,উপহাস না করা,অপবাদ না দেয়া,ক্ষতি সাধন না করা,ধোকা না দেয়া,হিংসা না করা,দেশ প্রেমকে অগ্রাধিকার দেওয়া,মুক্তিযুদ্ধাদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা পোষণ,ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা,সকল ধর্মের মানুষের প্রতি ভালোবাসা পোষণ।
ধারা ১৮ : সংবিধান সংশোধন :- এই ক্লাবের কার্যকরি পরিষদ প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সংবিধান সংশোধন করতে পারবে। এক্ষেত্রে ক্লাব সভাপতি স্থায়ী কমিটির সাতে সমন্বয় করবে যেহেতু এই সংবিধানের রক্ষক স্থায়ী কমিটি।
ধারা ১৯ : পদচ্যুতি :- ক্লাব সভাপতির কার্যক্রমে যদি ক্লাবের ক্ষতি হওয়ার আসংখ্যা দেখা দেয় তাহলে তাকে পদচ্যুত করা যাবে। আর যদি কার্যকরি পরিষদের অধিকাংশ সদস্য ক্লাব সভাপতির প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করেন তাহলে একমাসের মধ্যে পূর্ণ বিষয়টি সকল সদস্যের নিকট পেশ করতে হবে। অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলে ক্লাব সভাপতি পদচ্যুত হবেন। অধিকাংশ সদস্য সভাপতির সমর্থনে ভোট দিলে কার্যকরি পরিষদ পদচ্যুত হবেন এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সভাপতির শপথ
কার্যকরি পরিষদের শপথ
------------------------------------------







0 comments:
Post a Comment